প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে এই বৈশাখী মেলা আয়োজন করা হয়। বৈশাখী মেলা শুধু আনন্দের উৎসব নয়, এটি মানুষের জীবন, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সাথে গভীরভাবে জড়িত। গ্রামের মানুষ নতুন পোশাক পরে সকাল থেকেই মেলায় অংশ নেয়।
বৈশাখী মেলায় নানা ধরনের দোকান বসে। এখানে হস্তশিল্প, মাটির পুতুল, জামদানি শাড়ি ও কুটির শিল্পের জিনিস পাওয়া যায়। এছাড়া পিঠা, মোয়া, চিড়া ও মিষ্টির দোকান মেলার অন্যতম আকর্ষণ। এসব খাবার গ্রামীণ ঐতিহ্যের স্বাদ তুলে ধরে।
বৈশাখী মেলা শুধু কেনাকাটার জায়গা নয়। এখানে গান, নাচ, লোকনৃত্য ও নাটক অনুষ্ঠিত হয়। এসব আয়োজন নতুন প্রজন্মকে নিজের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে। ফলে বৈশাখী মেলা সামাজিক বন্ধনও শক্তিশালী করে।
সবশেষে বলা যায়, বৈশাখী মেলা আমাদের ঐতিহ্যকে সুন্দরভাবে তুলে ধরে। এটি শুধু একটি উৎসব নয়, বরং গ্রামীণ জীবনের আনন্দ, সংস্কৃতি ও মিলনের প্রতীক।

